বিশ্বে
মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার
যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি, তার একটি আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশের একটি ছোট হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেন এক নারী। এই
সন্তান জন্মদানের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি আমার তৃতীয় সন্তান। কিন্তু এই সন্তানটিকে জন্ম
দিতে গিয়ে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়,
তা ছিল আগের দুই সন্তান জন্মদানের চেয়ে পুরোপুরি ভিন্ন। এবার আমার খুব ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়েছে।
বিবিসি
অনলাইনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে
বলা হয়, তালেবান-শাসিত আফগানিস্তানের নানগারহারের যে হাসপাতালে প্রসূতিদের
যে ইউনিটে এই নারী তাঁর
তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেন, মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেটির অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। সন্তান জন্মদানের সময় তাঁকে ব্যথা উপশমের কোনো ওষুধ দেওয়া হয়নি, দেওয়া হয়নি প্রয়োজনীয় ঔষধ বা খাবার।
প্রচন্ড
গরমে অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়েছিল। তাপমাত্রা যখন প্রায় ৪৩ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে
তখন সেখানে –সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। জেনারেটরও চালানো যাচ্ছিল না জ্বালানি তেলের
অভাবে।
হাসপাতালটিতে
যে নারী ধাত্রী (মিডওয়াইফ) ছিলেন । তিনি অন্ধকারের
মধ্যে মুঠোফোনের আলো দিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান প্রসবে সহায়তা করেন। তিনি বলেন, ‘গরমে আমরা গোসল করার মতো ঘামছিলাম।’
নারী
ধাত্রী বলেন, ‘এটা ছিল আমার চাকরিজীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতাগুলোর মধ্যে একটি। এটা ছিল খুবই বেদনাদায়ক মুহূর্ত। কিন্তু এই এলাকা তালেবানের
দখলে যাওয়ার পর থেকে এখানকার
হাসপাতালে দিনরাতের গল্পগুলো এমনই। আমরা ভাবতেই পারিনি যে তিনি বাঁচবেন।
তাঁর সদ্যোজাত শিশুটির অবস্থাও ছিল গুরুতর। আমরা তাঁদের জন্য কিছুই করতে পারিনি। সৌভাগ্যক্রমে সদ্যোজাত মেয়েশিশুটিও বেঁচে যায়। অর্থের গুরুতর সংকটে থাকা হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসার পর ওই নারীকে
ছেড়ে দেওয়া হয়।’
জনস্বাস্থ্য
কর্মীরা কমপক্ষে তিন মাস ধরে বেতন পাননি। এই নারী ধাত্রী
তাদের একজন। তবুও বেতন ছাড়াই, তিনি আরও দুই মাস কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এটা আমাদের রোগীদের জন্য এবং আমাদের মানুষের জন্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ... কিন্তু অর্থ ছাড়া, এটা শুধু আমাদের জন্যই নয়, আমাদের রোগীদের জন্যও উদ্বেগজনক। তারা খুবই দরিদ্র’।
ইউএনএফপিএর
ডা. কানেম বলেন, ‘পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আমরা দিন-রাত্রি খাটাখাটি করছি। কিন্তু আমাদের দরকার তহবিল। এমনকি আফগানিস্তানে গত কয়েক সপ্তাহের
নাটকীয় ঘটনাবলির আগেও দেশটিতে প্রতি দুই ঘণ্টায় একজন আফগান নারী প্রসবের সময় মারা যাচ্ছিলেন।’
বিরূপ
পরিবেশে সন্তান প্রসব করা সত্ত্বেও ওই নারী বেঁচে
আছেন। সে জন্য তিনি
নিজেকে ভাগ্যবান আফগান নারীদের একজন ভাবতেই পারেন। কারণ, বিশ্বে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার
যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি, তার একটি আফগানিস্তান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, আফগানিস্তানে প্রতি ১ লাখ শিশু
জন্ম দিতে গিয়ে ৬৩৮ জন নারী মারা
যান।
দেশটির
মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর পরিস্থিতি
২০ বছর আগে আরও খারাপ ছিল। বিশেষ করে ২০০১ সালের পর থেকে পরিস্থিতির
অগ্রগতি হয়। কিন্তু গত ১৫ আগস্ট
কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যাওয়ার পর দেশটির মাতৃ
ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। রাবিয়ার সন্তান জন্মদানের ঘটনাটি তার একটা উদাহরণ মাত্র।
আফগানিস্তানে
মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার
বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) নির্বাহী পরিচালক নাটালিয়া কানেম বলেন, দেশটিতে এখন যে পরিস্থিতি তৈরি
হয়েছে, তা দেখে তাঁর
মধ্যে বড় ধরনের হতাশার
অনুভূতি কাজ করছে।
ইউএনএফপিএর
হিসাবমতে, আফগান নারী ও মেয়েদের জন্য
তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সহায়তার ব্যবস্থা করা না হলে দেশটিতে
অতিরিক্ত ৫১ হাজার মাতৃমৃত্যুর
ঘটনা ঘটতে পারে। প্রায় ৫০ লাখ অনিচ্ছাকৃত
গর্ভধারণের ঘটনা ঘটতে পারে। বিপুলসংখ্যক মানুষ পরিবার পরিকল্পনাসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
দেশটির
জনস্বাস্থ্যপ্রধান ওয়াহিদ মাজরুহ বলেন, আফগানিস্তানের মৌলিক স্বাস্থ্যসুবিধাগুলো ভেঙে পড়ছে। ফলে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার
দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
আফগানদের
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মাজরুহ। কিন্তু দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি তাঁর জন্য খুবই কঠিন হয়ে উঠেছে।
তালেবানের
ক্ষমতা দখলের পর স্থলবেষ্টিত দেশটি
বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দেশটির বিদেশি সহায়তা স্থগিত আছে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে বিদেশি সাহায্যনির্ভর। ফলে এই সেবা খাতটি
দারুণ সংকটের মুখে পড়েছে।
পশ্চিমা
দাতারা তালেবানের হাতে অর্থ সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে দ্বিধায় আছে। এ ছাড়া বর্তমান
পরিস্থিতিতে দেশটিতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানোও
বিদেশিদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
উদ্ভূত
পরিস্থিতিতে আফগান নারীদের প্রজননস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী সামগ্রী ও ওষুধের তীব্র
সংকট দেখা দিয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে করোনাভাইরাসের বিস্তার। এ প্রসঙ্গে ওয়াহিদ
মাজরুহ বলেন, করোনার সংক্রমণের সম্ভাব্য চতুর্থ ঢেউয়ের ব্যাপারে আফগানিস্তানের কোনো প্রস্তুতিই নেই।
তালেবান
ক্ষমতায় এসে দেশটির নারীদের ওপর নতুন করে নানান বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ফলে প্রসূতি নারীদের জন্য হাসপাতাল-ক্লিনিকে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াটা এখন আরও জটিল এবং কঠিন হয়ে উঠেছে।
কিন্তু
আরও উদ্বেগের বিষয় হল যে, হাসপাতাল
এবং ক্লিনিকগুলোতে শুধুমাত্র নারী কর্মীদেরই নারী রোগীদের চিকিৎসা করার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ধাত্রী বিবিসিকে বলেছেন, একজন পুরুষ ডাক্তারকে তালেবানরা মারধর করেছে, কারণ তিনি একা একজন নারী রোগীর কাছে গিয়েছিলেন।
তিনি
বলেন, দেশের পূর্বাঞ্চলে তাদের চিকিৎসা কেন্দ্রে, ‘যদি কোনো নারী রোগীকে দেখার জন্য নারী ডাক্তার না থাকে, তাহলে
একজন পুরুষ ডাক্তার কেবল সেই নারী রোগীকে দেখতে পারেন যদি সেখানে দুই বা ততোধিক লোকের
উপস্থিতি থাকে’।
তা
ছাড়া তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানের অনেক
চিকিৎসক পদত্যাগ করেছেন। অনেকে দেশে ছেড়ে পালিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরাও
আছে।
কাবুলের
পতনের পর চাকরি থেকে
পদত্যাগ করেন নারী প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
নবিজাদা। তিনি বলেন, রাতারাতি সবকিছু বদলে গেছে। ফলে সন্তানসম্ভবা আফগান নারীরা বিপদে পড়েছেন।
ডব্লিউএইচও-র হিসাব মতে,
প্রতি ১০,০০০ আফগান
নাগরিকের জন্য ৪.৬ জন
ডাক্তার, নার্স এবং মিডওয়াইফ রয়েছে যা
সর্বনিম্ন সীমার চেয়েও প্রায় পাঁচগুণ কম।
বিশ্বব্যাংকের
মতে আফগানিস্তানের প্রায় ৫৪.৫% মানুষ
জাতীয় দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। অধিকাংশই প্রত্যন্ত অঞ্চলে।
পশ্চিম
হেরাত প্রদেশের দরিদ্র ও বিচ্ছিন্ন গ্রামে
রোগীদের চিকিৎসা করা ডা.লোদী বলেন,
‘আমরা চরম চাহিদা এবং খুব অপ্রতুল সম্পদসম্পন্ন জঙ্গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করছি। তালেবানরা ক্ষমতা দখল করার পর থেকে অপুষ্টি,
রক্তশূন্যতা, মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি এবং সন্তান প্রসবের জটিলতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে’।
নানগারহার
প্রদেশের অধিবাসী আর একজন নারী।
তিনি এখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে বলেন, ‘আমি গর্ভবতী নারীদের আমাদের স্থানীয় ক্লিনিকে ওষুধের জন্য সারা দিন অপেক্ষা করতে দেখেছি। তারপর তাঁরা খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন। এখন আমি হাসপাতালের চেয়ে বাড়িতেই সন্তান প্রসব করার কথা ভাবছি। কারণ, হাসপাতালে কোনো ওষুধ নেই, নেই কোনো সুযোগ-সুবিধা। আমি আমার অনাগত সন্তান ও নিজের স্বাস্থ্য
নিয়ে উদ্বিগ্ন।’
তবে
আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আফগানিস্তানে যুদ্ধের পর প্রসূতি এবং
নবজাতকদের যত্নের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছিল,
তা এখন দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের
জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী পরিচালক নাটালি কানেম বলেন, "এখন খুবই মরিয়া এবং সংকটজনক একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে কতটা চাপ তৈরি হয়েছে সেটা আমি বুঝতে পারি।"
মাত্র
কয়েক সপ্তাহ আগে ক্ষমতার দখল নিয়েছে তালেবান। এর মধ্যেই আফগান
নারীদের জন্য সন্তান জন্মদানও দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে। হাসপাতালগুলো বেহাল।
প্রসূতি
বিভাগের অবস্থা আরও করুণ। ওষুধ নেই, খাবার নেই; নেই বিদ্যুৎও। ন্যূনতম সেবাটুকুও পাচ্ছেন না রোগীরা। ফলে
নবজাতক ও মাতৃমৃত্যু বাড়ছে।
কিন্তু
আফগানিস্তানে বর্তমানে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন বহু মা। নবজাতকের সংখ্যাও কম নয়। ক্ষমতা
দখলের পর থেকেই নারীদের
ওপর বাড়ছে তালেবান বিধিনিষেধ। ইতোমধ্যে নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মেয়েদের
বাদ দিয়ে শুধু ছেলেদের স্কুলে যেতে বলা হয়েছে। এবার নিষেধাজ্ঞা এলো কর্মজীবী নারীদের ওপর। রাজধানী কাবুলের কর্মরত বেশিরভাগ নারীকে কাজে যোগ দেওয়ার বদলে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার কাবুলের মেয়র হামদুল্লাহ নোমানি এ নির্দেশনা দেন।
তবে তালেবান সরকারের এসব হঠকারী সিদ্ধান্ত বিনা প্রতিবাদে মেনে নিচ্ছেন না আফগান নারীরা।
নিজেদের
শিক্ষার অধিকারসহ সব অধিকারের দাবিতে
ফুসে উঠেছেন তারা। চাকরি ফিরে পাওয়ার অধিকারসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন এসব নারীরা। একই সঙ্গে তালেবানের নতুন সরকার নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয় বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন তারা। আলজাজিরা।
এদিকে
রবিবার এক নির্দেশনায় কাবুলের
অন্তর্বর্তী মেয়র হামদুল্লাহ নোমানি বলেন, রাজধানী সিটি করপোরেশনের নারী কর্মীদের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
বাড়িতে থাকার জন্য বলা হচ্ছে। তবে যেসব নারী টয়লেট পরিষ্কারের কাজ করেন, তাদের এই নির্দেশনার বাইরে
রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশনে প্রায় ৩ হাজার কর্মী
রয়েছেন যার এক-তৃতীয়াংশই নারী।
নিরাপত্তা
নিশ্চিত করে খোলা হবে মেয়েদের স্কুল:মেয়েদের স্কুল খোলার ব্যাপারে তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হলে মেয়েদের স্কুল খুলে দেওয়া হবে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে
ছেলেদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়া হয়। তালেবানের অন্তর্র্বর্তী সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অল্পসংখ্যক স্কুল কার্যক্রম শুরু করেছে।
এর
মধ্যে কিছু স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েরা ক্লাসেও যাচ্ছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নারীদের ক্লাস করতে দেখা গেছে। তবে উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়গুলো এখনো খুলে দেওয়া হয়নি। এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে
উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত মেয়েদেরও স্কুলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।
পশ্চিমা
দাতারা তালেবানের হাতে অর্থ সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে দ্বিধায় আছে। এ ছাড়া বর্তমান
ইউএনএফপিএ উদ্বিগ্ন যে বাল্যবিবাহের ক্রমবর্ধমান
ঝুঁকি মৃত্যুর হারকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। বাড়ছে দারিদ্র্য, মেয়েদের স্কুলে যেতে না পারা নিয়ে
উদ্বেগ, এবং তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে মেয়েদের অথবা তরুণ কিশোরী নারীদের মধ্যে জোরপূর্বক বিবাহের আশঙ্কা বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলছে।


0 Comments